নেছারাবাদে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে গন ধর্ষনের অভিযোগ।।

নেছারাবাদে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে গন ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে। জলাবাড়ীতে সদ্য জে এস সি পরীক্ষার্থী ( ছদ্দ নাম সম্পা মিস্ত্রী-(১৪) কে জলাবাড়ীর প্রিতম মিস্ত্রী, মিঠুন মিস্ত্রী ও পল্লবের বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে। গত আওয়ামী যুব লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে এ ঘটনা ঘটে। প্রিতম জলাবাড়ীর শুভ্রর ছেলে,বিমল ঠাকুরের ছেলে পল্লব,মনোরঞ্জনের ছেলে মিঠুন। হত দরিদ্র পরিবারের স্কুল পড়ুয়া সম্পার সাথে পূর্ব পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রথমে প্রিতম ফোনে কথা বলে দেখা করতে। সম্পাও প্রিতমের প্রতি একটু দুর্বলতা ছিলো বলে জানায় সম্পা নিজে।প্রিতম ও সম্পার কল রেকর্ডের ভয় দেখিয়ে প্রিতম সম্পার ইচ্ছার বিরূদ্ধে ধর্ষন করে এবং দৃশ্য আড়ি পেতে থাকা পল্লব সম্পার অজান্তেই মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করে, আর পল্লব মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও সম্পাকে দেখায় এবং বলে তার কথা না শুনলে ভিডিও সোশাল মিডিয়া ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেন।তখন সম্পা কোন উপায় না দেখে পল্লবের কথায় রাজি হয় আর প্রিতম সেই জঘন্যতম দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে।পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে বাকি জন অর্থাৎ মিঠুন সেখানে এসে উপস্থিত হয় এবং সম্পার সাথে পৈশাচিক আচরণ করে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা সম্পার উপর। এর পর শুরু হয় ব্লাকমেইল, সম্পার পরিবারের কাছে টাকা দাবি করে। সম্পার সর্বনাশ করে এবং তা ভিডিও করে। আসলে বর্বরতা কাকে বলে তার জলন্ত প্রমান তিন লম্পটের অসামাজিক কাজের ভিডিও। এদিকে ঘটনার কথা এক কান দু-কান করে জলাবাড়ীর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। আর এ ন্যাক্কার জনক ঘটনা নিয়ে বিতর্কিক পলাশ হত্যার বিষয়ে চরম খল নায়ক চেয়ারম্যান আশীষ বড়াল সহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের হাতে যায় ধর্ষনের ভিডিও ফুটেজ। চেয়ারম্যান সম্পাকে আইনের কাছে না পাঠিয়ে নিজ আদালতে বিচার করে আবারও বিতর্কিত হয়। এলাকার লোকজন বলেন,চেয়ারম্যান আসামীদের কাছ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন। আর প্রধান লম্পটের সাথে বিয়ে দেওয়ার সিদ্বান্ত নেন। এলাকায় অভিযোগ উঠেছে সয়ং বিতর্কিত আশীষ বড়ালের বিরুদ্ধে, আসামীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতে পাঠিয়ে দিতে শতভাগ সফল হয়েছে চেয়ারম্যান আশীষ বড়াল। এ বিষয় আশীষ বড়াল বলেন,আমি সুন্দর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে মিডিয়ার বাকী প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছেন । জরিমানার জন্য ১৫ লক্ষ টাকার কথা বলেছি। তবে আমি উৎকোচ গ্রহন করিনি। আর ভারত পালিয়ে গেছে এটা আমিও শুনেছি লোকমুখে। সর্বশেষ এলাকায় ভয়ে ও একটি পক্ষের চাপে মেয়ে পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। এদিকে ভিডিও ফুটেজ চেয়ারম্যান, মিডিয়া ও এলাকায় ভাইরাল হয়েছে। গতকাল সন্ধা ছয়টার দিকে সম্পা সাংবাদিকের কাছে ফোন দিয়ে বলে আঙ্কেল আমাকে বাঁচান আমি আইনের সাহায্য চাই আপনাদের মাধ্যমে। এবং সমস্ত ঘটনা সাংবাদিক কে খুলে বলে। সাংবাদিকরা সম্পাকে সকাল দশ টায় থানায় আসতে বলা হলেও সম্পা সংবাদ লেখার পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দিতে আসেনি। বিশেষ সুত্রে জানা যায় সম্পাকে এবং তার পরিবার কে রীতিমতো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে ঘর থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে এলাকার বিজ্ঞ মহল মনে করেন তিন লম্পটদের পরিবারের অভিবাবকদের থানায় এনে আাইনের হাতে তুলে দিলেই প্রকৃত পাপীর সন্ধান পাওয়া যাবে ও শাস্তির আওতায় আনা যাবে। এবং এলাকা বাসি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে।

মোঃ রবিউল ইসলাম

স্থানীয় রিপোটার

প্রভাত বাংলা, বরিশাল